অর্থনীতিকে সচল রাখতে বিনিয়োগে বাধা দূর করা জরুরি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৩ | ৭:১৮ / প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার / 11 ভিউ
ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৩ | ৭:১৮ প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার 11 ভিউ
Link Copied!

সবল অর্থনীতির দেশগুলোকে যেখানে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে, সেখানে দুর্বল ও আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি কতটা নাজুক হতে পারে, তা অনুমান করা কঠিন নয়। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ভুল পথে যাচ্ছে বলে মনে করেন দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ। কেননা সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। কমে যাচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান খাত রেমিট্যান্সপ্রবাহ। কমছে রিজার্ভ। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে রেমিট্যান্সে ভাঁটা পড়েছে। আগস্টে রেমিট্যান্স কমেছে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এ পতন এমন সময় ঘটল যখন দেশ ডলার সঙ্কটে নাকানি-চুবানি খাচ্ছে। ডলারের অভাবে ব্যবসায়ীরা অত্যাবশ্যক পণ্য আমদানির জন্যও এলসি খুলতে পারছেন না। উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগে আগ্রহ কমেছে, যা কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলেছে। আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান মাধ্যম রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স। গত দুই বছর ধরে দু’টি খাতে আয় কমেছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ডলার সঙ্কট বেড়ে গেলে টাকার মান আরো কমবে। টাকার মান কমলে পণ্য আমদানিতে বেশি টাকা ব্যয় হবে। এতে বেড়ে যাবে মূল্যস্ফীতি। বেলাগাম দ্রব্যমূল্য এরইমধ্যে মানুষের জন্য প্রায় দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। মূল্যস্ফীতি আরো বাড়লে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে পৌঁছবে বলা মুশকিল। বর্তমানে মুদ্রাপাঁচার অর্থনীতির জন্য বড় অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে। সেই সাথে রেমিট্যান্স কমে যাওয়ায় ডলারের ওপর চাপ ক্রমে বাড়ছে। ডলারের এই অস্থিতিশীলতা আমাদের বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় ধরনের টানাপোড়া তৈরি করেছে। বড় আকারের বাণিজ্যিক ঘাটতি সামাল দিতে গিয়ে আমরা অপ্রয়োজনীয় আমদানি কমিয়ে ফেলার নানা উদ্যোগ নিয়েছি। আমদানির পরিমাণ খানিকটা কমেছেও। কিন্তু রপ্তানি ও প্রবাস আয় মিলে এখনো আমদানির পুরো মূল্য শোধ করতে পারছে না। ফলে বাণিজ্য ঘাটতির পাশাপাশি চলতি হিসাবে ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে। অন্যদিকে প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের কাছ থেকে যে পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা পাঁচ্ছি, তা দিয়ে আর্থিক ভারসাম্য ভালোভাবে রক্ষা করাও সম্ভব হচ্ছে না। অতএব, অর্থনীতিকে সচল ও সজীব রাখতে বিনিয়োগের বাধাগুলো দূর করার বিকল্প নেই। তাই সরকারকে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভালো ও শিল্পকারখানায় জ্বালানি সরবরাহ নির্বিঘ্ন করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। কেননা রিজার্ভ কমে যাওয়ায় আগামীতে বৈদেশিক ঋণের দায় মেটানো কষ্টকর হবে। ফলে নিঃসন্দেহে সমস্যা আরো প্রকট হবে। কম সুদের ও লম্বা গ্রেস পিরিয়ডসহ বিভিন্ন ঋণ প্রকল্পের অর্থ দ্রুত ছাড় করা যায় সে কথাটি জোর দিয়ে ভাবতে হবে।

শীর্ষ সংবাদ:
মহেশপুরে সড়কে গরু,ছাগল উন্মুক্তভাবে চলাফেরা করায় বাড়ছে দূর্ঘটনা,হচ্ছে পঙ্গুত্ব নাটোর বগুড়া মহাসড়কে মোটরসাইকেল ও ট্রাকের সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু। সিলেটের পুরকায়স্থ পাড়ায় দশ তলা ভবনের সাইনবোর্ড আছে, টাওয়ার নেই নোয়াখালীতে ওয়ান শুটার গানসহ ২ তরুণ গ্রেফতার ঝিকরগাছায় আন্তঃজেলা চোর চক্রের ২ সদস্য আটক ঝিকরগাছায় ১০ পিচ স্বর্ণের বারসহ ২ জন আটক নোয়াখালীতে বিএনপির সমাবেশ ‘খালেদা জিয়ার কোনো দুর্ঘটনা ঘটে এর হিসাব কড়া-গন্ডায় সরকারকে দিতে হবে’ স্ত্রীর ওপর অভিমান করে প্রবাসীর আত্মহত্যা যমুনায় ৩ দফা পানি বেড়ে ৫ কোটি টাকার ফসল নষ্ট বাগাতিপাড়ায় বাদাম বিক্রেতা হত্যার ঘটনায় ৫ জন গ্রেপ্তার আউচপাড়ার সাহাপাড়া জামে মসজিদের ভিত্তি প্রস্থ্যর স্থাপনের উদ্বোধন করেন মেয়র কালাম টানা ৩ দিনের ছুটিতে কক্সবাজারে লাখো পর্যটক সমাগমের আশা বগুড়ায় ইজিবাইক ছিনতাই করে চালককে হত্যা : গ্রেপ্তার ৬ মহাদেবপুরে বজ্রপাতে আদিবাসী ২ নারী শ্রমিক নিহত তিন সন্তানকে নিয়ে মায়ের বিষপান, সন্তানদের মৃত্যু গুরুদাসপুরে কৃষককে শিকলবন্দি করে রাখা সেই সুদ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার শেখ হাসিনাকে আবার নির্বাচিত করার জন্য জাতি অপেক্ষা করছে : ড. সেলিম মাহমুদ রাজশাহী বিভাগে সাড়ে আট মাসে রেললাইনে ৮৪ জনের মৃত্যু পবার সাইরপুকুর ও ভিমেরডাইং গ্রামকে বাল্যবিয়ে মুক্ত ঘোষণা মচমইল উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি-১৯৮৮ ব্যাচের মিলন মেলা